মিশরীয় প্রাচীন সভ্যতা : 

ইসলামের একটি ধর্ম আর এই ধমের অনুসারীদের বলা হয় মুসলিম. জাতি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান সভ্যতার সাথে জড়িত. তাই ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কতি বিষয়ে 

ধারনা থাকতে হবে. এজন্য প্রাক ইসলামী আরবের ইতিহাস এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কতি পর্যালোচনা করার পূর্বে তৎসংশ্লিষ্ট কতিপয় প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাস আলোচনা অপরিহার্য. প্রাচীন সভ্যতার শুরু থেকে এুমবিকাশের পথ ধরে আধুনিক মানুষের ঊওরন.

মানব সভ্যতার ইতিহাস কখন থেকে শুরু হয়েছে তা বলা নিশ্চিত করে বলা ‍মুসকিল .

তবে মানব সভ্যতার ইতিহাস এুমবিবতনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং উত্থান পতনের মাধ্যেমে বিকাশ লাভ করেছে. পৃথিবীর ইতিহাসে প্রাচীনতম সভ্যতার অন্যতম সভ্যতার হলো মিশরীয় সভ্যতা. এই সভ্যতা শুরু হয় নীলনদের অববাহিকায়.প্রত্নতও্ববিদের মতে মিশরীয় ইতিহাসের শুরু হয় 5,000 খ্রিষ্টপূর্বাদ্বে নবোপলীয় যুগে. মিশরীর সভ্যতার অন্যতম নিদশন হলো নীল নদ.নীল নদের বদ্বীপে বাস করে প্রায় চার কোটি মানুষ.










আজ আমরা নীলনদ সর্ম্পকে জানবো:

বিম্মিত হেরোডোটাস বলেছিলেন “মিশর নীল নদের দান”কারণ প্রতিবছর জুন মাস থেকে অক্টোবর পযর্ন্ত নীল নদের উভয় তীর প্লাবিত হয়.উভয় তীর দৈর্ঘ্যে 600 মাইল এবং প্রস্হে 10 মাইর পলিমাটি ভরে যায়.পলিমাটিতে উর্বর ভূমিতে প্রচুর ফসল উপাদিত হয়ে মিশরকে সমৃদ্ধিশালী করে তলে.মিশরের উওরে ভৃমধ্যসাগর ও দক্কিণে বর্তমান সুদান. এর পূর্ব দিকে প্রবাহমান লোহিত সাগর ও পশ্চিমে রয়েছে বর্তমান লিবিয়া.

প্রাচীন মিশরের প্রায় সমস্ত সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও এর তীরেই অবস্থিত। বিশাল ব-দ্বীপ সৃষ্টি করে নিলনদ  ‍ভূমধ্যসাগর গিয়ে মিশেছে।

বৈশিষ্ট্য : 


  •  উৎপত্তিস্থল থেকে শেষ প্রান্তের মাঝে এর দূরত্ব সর্বাধিক।
  •  তা প্রবাহিত হয় বড় বড় পাথর ও বালুময় প্রান্তরের উপর দিয়ে, যাতে কোন শ্যাওলা ও ময়লা-আবর্জনা নেই
  • আর সব নদ-নদীর পানি যখন কমে যায়, এর পানি তখন বৃদ্ধি পায় আর অন্যসব নদীর পানি যখন বৃদ্ধি পায়, এর পানি তখন কমে যায়

  • ১০টি দেশ নীল নদের আশীর্বাদপুষ্ট

     


SHARE THIS
Previous Post
First